ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন
কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)
ডিপিডিসি
নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ,উৎফুল্ল গ্রাহক

বিদ্যুৎ চুরির সাজা বাড়ছে


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘বিদ্যুৎ আইন- ২০১৭’ এর খসড়া অনুমোদন করা হয়।প্রস্তাবিত আইনে বিদ্যুৎ চুরির জন্য সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড বা চুরি হওয়া বিদ্যুতের মূল্যের দ্বিগুণ বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানার (যেটা বেশি হয়) বিধান রাখা হয়েছে। আগে এ অপরাধের জন্য ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান ছিল।সরকারের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে উৎপাদন থেকে বিতরণ পর্যায়ে বিদ্যুতের ‘সিস্টেম লস’ হয় ১৩ দশমিক ১০ শতাংশ।এই ক্ষতির একটি অংশ পুরনো বিতরণ ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন কারিগরি কারণে হলেও বড় একটি অংশের জন্য অসাধু কর্মচারীদের যোগসাজশে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ চুরিকে দায়ী করা হয়।চুরি ঠেকাতে বিদ্যুৎ খাতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও শাস্তির আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনে, যা আগের আইনে ছিল না। এছাড়া বিদ্যুৎ স্থাপনায় নাশকতা করলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে খসড়ায়।মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পুরনো ইংরেজি আইনগুলো বাংলায় করার অংশ হিসেবে ১৯১০ সালের বিদ্যুৎ আইন হালনাগাদ করে নতুন এ আইন হচ্ছে।“মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন মেলায় বিদ্যুৎ আইন পাস করতে এখন জাতীয় সংসদে তোলা হবে। সংসদে পাসের পর এটি কার্যকর হবে।”




কোন অপরাধে কী সাজা

>> নতুন আইন কার্যকর হলে বিদ্যুৎ চুরির জন্য সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড বা চুরি হওয়া বিদ্যুতের মূল্যের দ্বিগুণ বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানার (যেটা বেশি হয়) সুযোগ থাকবে। আগের আইনে এ অপরাধে কেবল ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান ছিল।
>> বিদ্যুৎ চুরির জন্য কোনো যন্ত্র বা ডিভাইস ব্যবহার করলে তিন বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে। আগে এ অপরাধের জরিমানা ছিল ২০ হাজার টাকা।
>> কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ চুরি করলে ওই প্রতিষ্ঠানের মালিককে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা চুরি হওয়া বিদ্যুতের মূল্যের দ্বিগুণ বা পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেওয়া যাবে।
>> খসড়া আইনে বিদ্যুৎ অপচয়ের জন্যও এক থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানিয়েছেন।
>> কেউ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি চুরি বা অপসারণ করলে দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
>> কেউ চুরি করা কোনো যন্ত্রপাতি বা বিদ্যুতের লাইনের সামগ্রী দখলে রাখলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
>> বিদ্যুৎকেন্দ্র, বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র, বিদ্যুৎ লাইন, খুঁটি বা অন্য যন্ত্রপাতি নাশকতার মাধ্যমে ভেঙে ফেললে বা ক্ষতিগ্রস্ত করলে বা বিদ্যুৎ সরবারহ বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন বা যন্ত্রের উপর কোনো বস্তু নিক্ষেপ করলে বা রাখলে সাত থেকে দশ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হবে নতুন আইনে।
>> আগে বিদ্যুৎ খাতের প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনো শাস্তির বিধান ছিল না। প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, যদি কোনো বিদ্যুৎ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী বিধি লঙ্ঘন করেন, তাকে শাস্তি পেতে হবে।
>> সরবরাহ এলাকার বাইরে বিদ্যুৎ সরবরাহ করলে বা বিদ্যুৎ লাইন বা কোনো অবকাঠামো বসালে, আইন বা বিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে, যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখলে, ত্রুটিযুক্ত বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।
>> বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন বা বিতরণ কাজে নিয়োজিত সরকারি-বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্মচারী এ আইনে অপরাধ করলে বা অপরাধ সংগঠনে সহায়তা, প্ররোচনা বা ষড়যন্ত্র করলে তিনি এ আইনে সাজার আওতায় আসবেন।
>> আইনে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই- এমন অপরাধে ছয় মাসের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

শফিউল জানান, বিদ্যুৎ বিতরণ ও সঞ্চালন ব্যবস্থা সমন্বয়ের জন্য প্রস্তাবিত আইনে একটি ‘ইনডিপেনডেন্ট সিস্টেম অপারেটর’ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। সরকার গেজেটের মাধ্যমে এই অপারেটর প্রতিষ্ঠা করবে।
“ইনডিপেনডেন্ট সিস্টেম অপারেটর নির্ধারিত পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রবাহ পর্যবেক্ষণ, শিডিউলিং এবং বিতরণ ব্যবস্থা বা কোম্পানির চাহিদা অনুযায়ী ন্যায়ের ভিত্তিতে লোড বরাদ্দ করবে।”
বিদ্যুতের কোনো লাইন মেরামত, সংস্কার বা নতুন সরবরাহ লাইন বসানোর কাজে যাতে টেলিফোন, ইন্টারনেট বা সাবমেরিন কেবলের কোনো ক্ষতি না হয়, সেজন্য কাজ শুরুর আগেই সংশ্লিষ্ট সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নোটিস দিয়ে জানানোর নিয়ম করা হচ্ছে নতুন আইনে।

(reference : http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article1372474.bdnews)

আপনার বিদ্যুৎ বিল দেখুন
শ্রেষ্ঠ স্টল
ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৬ সালে 'শ্রেষ্ঠ স্টল'
শ্রেষ্ঠ স্টল
বিদ্যুৎ মেলা ২০১৪ সালে 'শ্রেষ্ঠ স্টল'
মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের ইলেকট্রিক লাইনের রুট পরিবর্তন
গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের ইলেকট্রিক লাইনের রুট পরিবর্তন করা
সেরা কর্পোরেট অ্যাওয়ার্ড
আইসিএমএবি শ্রেষ্ঠ কর্পোরেট অ্যাওয়ার্ড ২০১২
ইভেন্ট ক্যালেন্ডার